>দেখি নাই ফিরে 62 চুদাচুদি ও সেক্সের গল্প bangla choti

>তোর চালটা কি দুর্দান্ত হয়েছেরে অনি। ইসলামভাই আমার পিঠে চাপর মারলো।
আমি ফিরে তাকাতেই ইসলামভাই সরি বলে চুপ করে গেলো।
ও আবার কি চাল দিয়েছেরে মুন্না। ছোটমা ইসলামভাইকে জিজ্ঞাসা করলো।
সবার দৃষ্টি এখন ইসলামভাই-এর দিকে। মিত্রা মাথা নীচু করে।
মল্লিকদার চোখ ছোট ছোট। নিরঞ্জনদা হাঁ করে আছে।
না কিছুনা।
তোরা দুজনে অনির মোবাইল নিয়ে কাড়াকাড়ি করলি।
ইসলামভাই মিত্রা একে অপরের মুখ চাওয়া চাওয়ি করছে।
আরে বাবা কিছু হয়নি। খালি তোমাদের সন্দেহ।
তাহলে ওরকম আহ্লাদে নেচে উঠলি।
ঠিক, ঠিক বলেছে ছোট। দাদা বললো।
আমার দিকে তাকিয়ে। কিরে আবার ওখানে গন্ডগোল পাকিয়েছিস।
আমি কেনো পাকাতে যাবো! সামন্ত ডাক্তারের দিকে তাকিয়ে। ডাক্তারদাদা আমার প্রশ্নের উত্তরটা।
ছোট এখন থাম, ওটা পরে দেখছি। বড়মা বললো।
তুই না ভেবে আমাকে বলছিসনা এটা আমি ভালো করে জানি। তুই কি ভেবেছিস বল।
এই তোমার প্রশ্নের উত্তর।
বান্ধবী তোমরা ওকে কতটুকু চেনো আমি জানিনা। তবে এই কদিনে আমি ওকে হারে হারে চিনেছি।
ও ছোট সামন্ত কি বলেরে।
তুই আমাকে নিয়ে একটা নির্দিষ্ট প্ল্যান করেছিস। তোর এই বন্ধুদের তুই সঙ্গে করে নিয়ে এসেছিস। তারও একটা নির্দিষ্ট প্ল্যান আছে। তুই এমনি এমনি ওদের শুধু ঘুরতে নিয়ে আসিসনি। তুই বড় সাংঘাতিক। রথ দেখা কলা বেচা দু’টোই করবি।
আমি মাথা নীচু করে রইলাম। মনে মনে বললাম ডাক্তারের পাকা মাথা। মুখ তুললাম ডাক্তারের দিকে তাকালাম।
তুই আমার দিকে যতই ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে থাক, তোর মাথাটা একলক্ষ মাইলে গতিতে দৌড়চ্ছে। তোর চোখ বলছে। আমি ডাক্তার। চল্লিশ বছরে অন্ততঃ চল্লিশ লক্ষ রোগীর চোখ দেখেছি। আমাকে ফাঁকি দিতে পারবিনা।
ফিক করে হেসে ফেললাম।
তুই আগে তোর রোগটা বল, আমি তারপর ওষুধ দেবো।
বুঝতে পারছি সবাই আমার মুখের দিকে তাকিয়ে। ব্যাপারটা এরকম, শেয়ানে শেয়ানে কোলাকুলি হচ্ছে আমরা সবাই নিরব দর্শক।

জানিস অনি আমরা যখন ডাক্তরি পর তখন আমাদের ফার্স্ট ইয়ারে সাইকলজি পরতে হয়। সাইকলজি না পরলে রুগীর মনস্তত্ব জানা যায়না। আমি ওই পেপারটাতে হায়েস্ট নম্বর পেয়েছিলাম।
আমি এক দৃষ্টে তাকিয়ে আছি।
আমি তোকে গল্প বলছি এরি মধ্যে তুই তোর ঘুটি সাজিয়ে ফেল। এই ক্ষমতাটা তোর আছে।
তারপর বুঝলি যখন প্র্যাকটিশ করতে শুরু করলাম। তখন ওই সাইকলজি পরাটা কতটা উপকারে এলো বুঝতে পারলাম। এখনো আমি সময় সুযোগ পেলে সাইকলজিটা পরি।
তুমি ফ্রয়েড পরেছো।
হুঁ। তুই আরো বেশি চালাক। বড় মাছকে খেলিয়ে তোলার ফন্দি করছিস।
হাসলাম। আমি তোমাকে জিজ্ঞাসা করেছি।
যদি বলি পরিনি।
তাহলে ফাইল ক্লোজ।
ফাইল তুই ওপেন করেছিস। ক্লোজ করার দায়িত্ব আমার।
যদি বলি পরেছি।
তাহলে প্রিকনসাস মাইন্ড সম্বন্ধে তোমাকে দু’চারটে প্রশ্ন করবো।
বুঝেছি। তুই আমাকে নিয়ে ভালো হোমওয়ার্ক করেছিস।
তোমাকে কতটুকু দেখেছি।
আজকে নিয়ে চারদিন।
তুমিও আমাকে চারদিন দেখেছো।
তাহলে উত্তরটা হচ্ছে আমি তোর সম্বন্ধে এতটা জানলাম তুই কি কিছুই জানিসনা।
হাসলাম।
কি বান্ধবী তোমার সব মাথার ওপর দিয়ে চলে যাচ্ছে।
তোমাদের কথা কিছুই বুঝতে পারছিনা।
জীবনে অনেক মানুষ নিয়ে ঘাঁটা ঘাঁটি করেছি। তোমার অনি আমার দেখা সেরা ছেলে।
মিলির দিকে তাকিয়ে। মামনি নীপা মাকে একটু গরম জল দিতে বলনা।
আমার দিকে তাকিয়ে। এটা তোর কথা। কেমন সঠিক জায়গায় ইনপুট করলাম বল।
আমি মুচকি মুচকি হাসছি।
মিত্রা আমার কাঁধে মাথা রেখে ডাক্তারদার কথা এক মনে শুনছে।
তুমি দাঁড়াও মিলিদি আমি চায়ের কথা বলে এখুনি আসছি। ফাঁকটুকু তোমার কাছ থেকে শুনবো।
নির্মাল্য বেরিয়ে গেলো।
তাহলে অনিবাবু ফ্রয়েড, প্রিকনসাস মাইন্ড। তাহলে তুমি আমার তৃতীয় চক্ষুর হদিস পেয়েগেছো।
সবার মুখে বিস্ময়। মল্লিকদা একটু নড়ে চড়ে বসলো।
তুমি এই বয়সে ফ্রয়েড গুলে খেয়ে ফেলেছো, তন্ত্রনিয়ে ঘাঁটা ঘাঁটি করছো, অবশ্য তোমার বড়মার মুখ থেকে শুনলাম। তুমি অনেকদিন বাঁচবে। বাকি কি রাখলে।
ফ্রয়েড কেনো তার ঔরসজাত সন্তানকে বিয়ে করেছিলো। সেটা জানা বাকি রয়েছে।
তারমানে! দাদা বলে উঠলো।
কি এডিটর কিছুই পড়াশুনো করোনা। কি করে যে এতোবড়ো কাগজের এডিটর হলে ভগবান জানে।
ইসলামভাই আমার ঘাড়ের কাছে উঠে এলো। যেনো আমাকে গিলে খাবে।
জানিস অনি অনেকদিন পর কথাবলার মতো একটা যোগ্য লোকের সন্ধান পেলাম। কথা বলতে নাপেরে বোবা হয়ে গেছিলাম। লোকে আমাকে বলে আঁতেল। আমার নাকি নাক উঁচু। লেবেল সমান সমান না হলে কথা বলে আনন্দনেই। বুঝলি। কথা বলে যদি আনন্দ না পাই তাহলে কথা বলবো কেনো।
সামন্ত ডাক্তার চশমাটা খুলে চোখদুটো মুছলো।
তুই উত্তর পেয়েছিস।
এখনও সার্চ করছি।
উত্তর তুই পেয়েছিস আমাকে বলছিস না।
তোমার উত্তরের সঙ্গে আমারটা মেলেকিনা দেখছি।
সামন্ত ডাক্তার এবার আমার দিকে তাকিয়ে হাসলেন।
এক্সপেরিমেন্ট! তবে তিনি ফ্রয়েড বলে কথা।
তার বাইরেও কিছু আছে।
তোর থার্ডসেন্সটা ভীষণ প্রখর। তাই তুই এতো তাড়াতাড়ি ডিসিসন নিতে পারিস। সাধারণ লোকে বলে ম্যাজিক। বিজ্ঞানের ভাষায় প্র্যাকটিশ। এ্যাম আই রাইট।
হুঁ।
কলকাতায় এবং এখানে এসে মামনির কাছে তোর কিছু কিছু গপ্প শুনছিলাম। আর মনে মনে জাজ করছিলাম। তুই আমাকে এরকম একটা প্রস্তাব আজ না হোক কাল দিবি।
কি করে বুঝলে।
এই মুহূর্তে তোর কাছে সেকেন্ড কোনো অপসন নেই। থাকলে তুই আমাকে বাজাতিস, সড়াসরি অফার করতিস না।
আমি মাথা নীচু করে নিলাম।
সেদিন তুই ওর ষোলোটা নার্সিংহোমের মধ্যে সাতটা রেস্ট্রি করিয়েছিস। বাকিটা নটা এখনো ওর নামে আছে। সেগুলোও তুই রাখবিনা। ধ্বংস করে দিবি। বিনিময়ে কিছু টাকা খিঁচে নিলি। তাও চেকে। সাদা টাকা। তুই কি ডেঞ্জার। তুই খেলাটা কোথায় নিয়ে যেতে চাস। এরা কেউ ধরতেই পারছেনা। এরিমধ্যে তার কাজ তুই শুরু করে দিয়েছিস। এরা এখনো কেউ ঘুনাক্ষরেও জানেনা। ধরতেও পারছেনা।
আমি সামন্তর মুখের দিকে স্থির দৃষ্টিতে তাকালাম।
সকলে চুপচাপ। নিস্তব্ধ ঘর। পিন পরলে আওয়াজ হবে।
আমি সেদিন তোকে বলেছিলাম আমি ওর রেজিস্ট্রেসন ক্যানসেল করে দেবো। চেষ্টা করলে পারতাম। যখনি শুনলাম তুই থেকে যাচ্ছিস আমাদের সঙ্গে আসছিস না, তখনই বুঝলাম তুই আমাকে এর মধ্যে জড়াতে চাসনা। তুই অন্যভাবে আমার সাহায্য চাস।
আমার চোখের পলক পরছেনা।
তুই এও প্ল্যান করে রেখেছিলি। এমন জায়গায় তুই এই কথাটা বলবি যেখানে আমি তোকে না বলতে পারবোনা।
আমি এবার মাথাটা নীচু করলাম।
লজ্জাপাস না তোকে নিয়ে এদের অনেক কিউরিয়োসিটি। আমি জানি তুই থাকতে এদের শরীরে একটা লোমও কেউ ছুঁতে পারবেনা। মাঝে মাঝে মনে হয় আমার মতো তোরও কথা বলার লোক নেই।
আমি মাথা তুললাম না।
আর আমি যে তোর প্রতি দুর্বল এটাও তুই ধরে ফেলেছিস।
আমি আবার মাথা তুললাম।
কি করে ?
আমার কলকাতা শহরে একটু আধটু প্রসার প্রতিপত্তি আছে। লোকে বলে বড় ডাক্তার। তোর সঙ্গে আমার সেই ভাবে কোনো সম্বন্ধ নেই। এডিটারের একটা কথায় আমি গাড়িতে উঠে বসলাম!
বুঝলি অনি সেদিনও আমি গাড়িতে উঠে বসার আগে তোর চোখ দেখেছিলাম। তোর চোখ সেদিন বলছিলো ডাক্তার তুমি বহুত ধড়িবাজ, তুমি আমার শেকড়টা দেখতে যাচ্ছ। যাও। আমি তোমাকে ওখানে বধ করবো।
কিরে ঠিক বলছি।
আমি মুচকি মুচকি হাসছি।
প্রিকনসাস, ফ্রয়েড উপকাহিনী মূল কাহিনী আমি বলছি। তাবলে তুই ফ্রয়েড পরিসনি একথা বলছিনা। গুলে খেয়েছিস।
তুই ঠিক খবর নিয়ে নিয়েছিস আমি মামনির গ্রুপের তিনটে নার্সিংহোমের সঙ্গে এ্যাটাচ। তাই নিজের মেয়েকে বিয়ে করতে অসুবিধে কোথায়!
কিরে দুষ্টু তোর পেটে পেটে এত বুদ্ধি। ছোটমা কানটা মূলে দিলো।
ওঃ ছোট ব্যাথা লাগবে।
তোমার জন্য ও লায় পাচ্ছে। ব্যাথা ওর লাগেনি তোমার লেগেছে।
ওই হলো।
ডাক্তারদাদা বলে তোকে ধরতে পেরেছে আমরা সাতজন্মেও তোকে ধরতে পারতামনা।
ছোট জানো কাল খেতে বসার পর থেকে আমি লক্ষ্য করছি, ও এখানে ফিজিক্যালি প্রেজেন্ট, মেন্টালি নয়। তোমরা ধরতে পেরেছো।
একদম না।
আজ সকালে এদেরকে নিয়ে ও ঘুরতে গেছে। তার মধ্যেই ও ওর কাজ সেরে নিয়েছে। এরা কেউ ধরতে পারেনি।
ও তো আমাদের সাথেই ছিলো। দেবাশীষ বললো।
আমি তোর প্রস্তাব গ্রহণ করবো তার আগে তোকে একটা জিনিষ এদের সবার সামনে বলতে বলবো পারবি।
না। মঙ্গলবার জানতে পারবে। দাদা আঁচ পাবে কাল বিকেল থেকে।
দেখছো ছেলে কতটা এক্সপার্ট দিনক্ষণ সময় বলে দিচ্ছে।
তুই যে এখুনি বললি কিছু হয়নি। দাদা বললো।
কিছু হয়নিতো। যাও অনেক বেলা হয়েছে। স্নান করে খেয়ে নাও।
তুই নিরঞ্জনকে বেঁধেছিস, তুই ইসলামকে বেঁধেছিস, তুই দামিনীকে বেঁধেছিস আমি জানি তুই থাকতে এদের কেউ স্পর্শ করতে পারবেনা। সব তাস তোর হাতে। নেক্সট কে ?
নিরঞ্জনদা এতোক্ষণ চুপচাপ বসেছিলো। এবার উঠে এলো। আমার সামনে এসে দাঁড়ালো। আমার কাঁধটা ধরে ঝাঁকিয়ে বললো। অনিমেষদা তোকে ও ঘরে ডেকে নিয়ে গিয়ে কি কথা বললো একটু বল। আমি ভেতর ভেতর ভীষণ অশান্ত।
কিগো তোমরা এখন চা খাবে স্নান করবেনা বেলা গড়িয়ে গেলো। নীপা ঘরে ঢুকলো।
থাম মুখপুরি। ছোটমা বলে উঠলো।
অনি ডাক্তার সব সত্যি কথা বলছে! আমার গা ছুঁয়ে বল। বড়মা বললো।
আবার শপথ করাচ্ছ। সেদিনকার কথাটা ভুলে গেছো।
আচ্ছা আচ্ছা আর বলবোনা। কিন্তু ডাক্তার কি বলছে সব গুলিয়ে যাচ্ছে।
দাঁড়াও আগে চা খাই।
বান্ধবী ওর পেট থেকে বার করতে পারবেনা। তোমাকে পড়াশুনো করতে হবে।
এই বুড়ো বয়সে সেটা হয়।
তাহলে চুপচাপ থাকো।
মিলি চায়ের কাপ নিয়ে এলো। হাতে নিলাম। তুমি দাঁড়িয়ে রইলে কেনো। নিজের জায়গায় গিয়ে বোসো।
নিরঞ্জনদা চলে গেলো।
কিরে তোরকি এখনো ঘোর কাটেনি। ঘারটা ব্যাথা হয়ে গেলো।
হোক। তোকে ছুঁয়ে থাকলে যদি কিছু শিখি।
অনেক শিখেছিস আর শিখতে হবেনা। খিদে পাচ্ছেনা।
পাচ্ছে তো, উঠতে ইচ্ছে করছেনা।
আচ্ছা ডাক্তার তোমরা দুজনে কথা দিয়ে এমন সব ছবি আঁকলে আসল প্রশ্নের উত্তরটা পেলামনা। দাদা বললো।
তোমায় পেতে হবেনা যে প্রশ্ন করেছে সে ঠিক উত্তর পেয়ে গেছে।
বুঝলি অনি ফ্রয়েডের প্রিকনসাস নিয়ে আমার কিছু কিছু জায়গায় খটকা আছে।
আমার একেবারে নেই।
তোর সঙ্গে বসবো।
তোমাদের আলোচনায় আমরা থাকবোনা। টিনা বলে উঠলো।
নিরস সাবজেক্ট।
নিরস কইগো বেশতো শুনতে ভালোলাগছিলো। বড়মা বললো।
চলো এবার উঠি অনেক বেলা হলো।
আমি উঠে দাঁড়ালাম।
আমি তাহলে রেজুলেসন তৈরি করতে বলেদিচ্ছি। ডাক্তারদাদার দিকে তাকিয়ে বললাম।
সেটাকি তুই বাকি রেখেছিস।
হেসেফেললাম।
হাসিসনা। সবকিছু হাসি দিয়ে ঢাকা যায়। তুই যেমন একা একা কাঁদিস আমরাও কাঁদি। একটু বলতে অসুবিধে কোথায়।
মাথা নীচু করে থাকলাম।
ক্রমশঃ

অনি ডাক্তার সব সত্যি কথা বলছে! আমার গা ছুঁয়ে বল। বড়মা বললো।
আবার শপথ করাচ্ছ। সেদিনকার কথাটা ভুলে গেছো।
আচ্ছা আচ্ছা আর বলবোনা। কিন্তু ডাক্তার কি বলছে সব গুলিয়ে যাচ্ছে।
দাঁড়াও আগে চা খাই।
বান্ধবী ওর পেট থেকে বার করতে পারবেনা। তোমাকে পড়াশুনো করতে হবে।
এই বুড়ো বয়সে সেটা হয়।
তাহলে চুপচাপ থাকো।
মিলি চায়ের কাপ নিয়ে এলো। হাতে নিলাম। তুমি দাঁড়িয়ে রইলে কেনো। নিজের জায়গায় গিয়ে বোসো।
নিরঞ্জনদা চলে গেলো।
কিরে তোরকি এখনো ঘোর কাটেনি। ঘারটা ব্যাথা হয়ে গেলো।
হোক। তোকে ছুঁয়ে থাকলে যদি কিছু শিখি।
অনেক শিখেছিস আর শিখতে হবেনা। খিদে পাচ্ছেনা।
পাচ্ছে তো, উঠতে ইচ্ছে করছেনা।
আচ্ছা ডাক্তার তোমরা দুজনে কথা দিয়ে এমন সব ছবি আঁকলে আসল প্রশ্নের উত্তরটা পেলামনা। দাদা বললো।
তোমায় পেতে হবেনা যে প্রশ্ন করেছে সে ঠিক উত্তর পেয়ে গেছে।
বুঝলি অনি ফ্রয়েডের প্রিকনসাস নিয়ে আমার কিছু কিছু জায়গায় খটকা আছে।
আমার একেবারে নেই।
তোর সঙ্গে বসবো।
তোমাদের আলোচনায় আমরা থাকবোনা। টিনা বলে উঠলো।
নিরস সাবজেক্ট।
নিরস কইগো বেশতো শুনতে ভালোলাগছিলো। বড়মা বললো।
চলো এবার উঠি অনেক বেলা হলো।
আমি উঠে দাঁড়ালাম।
আমি তাহলে রেজুলেসন তৈরি করতে বলেদিচ্ছি। ডাক্তারদাদার দিকে তাকিয়ে বললাম।
সেটাকি তুই বাকি রেখেছিস।
হেসেফেললাম।
হাসিসনা। সবকিছু হাসি দিয়ে ঢাকা যায়। তুই যেমন একা একা কাঁদিস আমরাও কাঁদি। একটু বলতে অসুবিধে কোথায়।
মাথা নীচু করে থাকলাম। bangla choti golper ashor Nicher link ba image ti akti click korun.tbe aponader sundor sundor banglaychoti golpo upohar dite parbo please give a click<a href=”http://www.bidvertiser.com/bdv/BidVertiser/bdv_advertiser.dbm”>pay per click advertising</a>ভাবি খালা মামী চাচী দুধ বোনের সাথে সেক্সের গল্প সেক্সি গল্প চুদাচুদি গল্প ছোটদের জন্য প্রযোজ্য নয় ,ছোটদের গল্প জন্য ছোটদের গল্পের সাইট পড়ুন । bangla choti largest bangla choti collection

About these ads

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s